গত মঙ্গলবার এই কলামে যে লেখাটি লিখেছিলাম সেটি ছিল লেখাটির প্রথম কিস্তি। শিরোনাম ছিল ‘৪৩ বছর আগে নিষ্পন্ন রাজাকার ইস্যুতে জাতিকে বিভক্ত করার নয়া চক্রান্ত- (১)’। কথা দিয়েছিলাম আজ দ্বিতীয় কিস্তি লিখব। সেই ওয়াদাই পূরণ করার চেষ্টা করছি। এর মধ্যে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ২৪ ঘণ্টার এক ঝটিকা সফরে ঢাকা এসেছিলেন। তার ঢাকা সফর নিয়ে ২/৪ দিন পত্রপত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে অনেক আলোচনা হয়েছে। অনেকেই এই সফরটিকে সরকারের বিরাট সাফল্য বলে প্রচার করেছেন। আবার কেউ কেউ এটিকে বিরোধী দলের বিশেষ করে বিএনপির সফলতা বলে মনে করেছেন। এ সম্পর্কে আমার মূল্যায়ন অত্যন্ত স্পষ্ট। প্রথমত, এমন নয় যে, জরুরি একটি ইস্যু উঠে এলো, আর সে ব্যাপারে ভারত তার মতামত বাংলাদেশকে জানানোর জন্য সুষমা স্বরাজকে ঢাকা পাঠালো। বিষয়টি মোটেই এমন নয়। বরং অক্টোবরের ২৩ তারিখে বাংলা-ভারত জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটির মিটিংয়ে যোগদানের জন্য সুষমা স্বরাজ ঢাকায় আসবেন, সেটি নির্ধারিত হয়েছিল আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে। নির্ধারিত সফরেই তিনি এসেছিলেন। বরং তিনি ২৩ অক্টোবর না এসে ১ দিন আগে অর্থাৎ ২২ অক্টোবর ঢাকায় আসেন। আবার ২৩ তারিখেই তিনি ফিরে যান। সফরটি ১ দিন এগিয়ে নিয়ে আসার কারণ ছিল ২৫ অক্টোবর বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিলারসন দিল্লি যাবেন। টিলারসনের সফরটি ভারতের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে এজন্য সুষমা স্বরাজ বিশেষ বিমানে ঢাকায় আসেন এবং পরদিন ঐ বিমানেই দিল্লি ফিরে যান।
আরেকটি কারণে সুষমার সফরটি ততখানি গুরুত্ব বহন করে না, যতখানি গুরুত্ব ঢাকার মিডিয়ায় দেওয়া হয়েছে। কারণ, দিল্লির যে পাওয়ার স্ট্রাকচার সেখানে সুষমা স্বরাজ ততখানি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নন, যতখানি গুরুত্বপূর্ণ বলে বাংলাদেশে তাকে দেখানো হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় তার অন্তর্ভুক্তিও জানা প্রয়োজন। ভারতের বিগত নির্বাচনের আগে থেকেই বিজেপিতে দুটি উপদল ছিল। একটির নেতৃত্বে ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। আরেকটির নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবানি। বিজেপি হলো ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএস বা রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের পলিটিক্যাল উইং। আরএসএসকে বলা হয় সংঘ পরিবার। আরএসএসের বিভিন্ন শাখা প্রশাখা রয়েছে। তার মধ্যে রাজনৈতিক শাখা বা পলিটিক্যাল উইং হলো বিজেপি। সুষমা স্বরাজ ছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানির উপদলে। নির্বাচনের পর নেতৃত্ব নিয়ে দ্ব›দ্ব হলে আদবানির উপদলকে দুর্বল করার জন্য নরেন্দ্র মোদি পরারাষ্ট্রমন্ত্রীর টোপ দেন সুষমার কাছে। সুষমা আদবানিকে ছেড়ে মোদির দলে আসেন। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, মোদির দলে মোদি ছাড়াও আরো যারা গুরুত্বপূর্ণ নেতা তারা হলেন, দলীয় সভাপতি অমিত শাহ্, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ নাথ সিং, উমা ভারতি প্রমুখ। অটল বিহারি বাজপেয়ী, এল কে আদবানি, যশোবন্ত সিংহ প্রমুখ নেতা সাইড লাইনে চলে গেছেন। এই অবস্থায় দলের বা সরকারের পলিসি নির্ধারণে অরুণ জেটলি, অমিত শাহ্ বা রাজনাথ সিংয়ের মত সুষমা স্বরাজের ভয়েসকে ততটা কাউন্ট করা হয় না। এছাড়া বিজেপিতে আরেকজন নেতা উত্থিত হয়েছেন, যিনি কট্টর হিন্দুয়ানির জন্য ইতোমধ্যেই দলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছেন। তার এই গুরুত্বের জন্য তাকে ভারতের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে জন অধ্যুষিত রাজ্য উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছ। তিনি হলেন যোগি আদিত্যনাথ। এই পটভূমিতে বলছি যে, সুষমা স্বরাজ বিশেষ কোনো বার্তা নিয়ে ঢাকা আসেননি। তিনি বিশেষ কোনো বার্তা নিয়েও ফিরে যাননি। তার এটি ছিল পূর্ব নির্ধারিত রুটিন সফর। তবে যারা বলছেন যে, তিনি বেগম জিয়ার সাথে ৪৫ মিনিট বৈঠক করেছেন, তাই এর মাধ্যমে বিএনপির প্রতি ভারত সরকারের মনোভাবের আংশিক পরিবর্তন ঘটেছে, তারা মনে হয় বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পারেননি। কেউ কেউ বলতে চাচ্ছেন যে, সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ২৫ মিনিটব্যাপী ওয়ান টু ওয়ান বা একান্ত বৈঠক করেছেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার সাথে ওয়ান টু ওয়ান কোনো বৈঠক করেননি। এর মাধ্যমে ভারতের কাছে বিএনপির গুরুত্ব নাকি কমে গেছে।
\দুই\
এখানে একটি কথা বলা দরকার। ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক হলেই যে গুরুত্ব বাড়ল, আর না হলেই যে কমলো, রাজনীতিতে এভাবে হিসাব করা ঠিক না। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি যখন ঢাকায় আসেন তখন তিনি খালেদা জিয়ার সাথে ২০ মিনিটব্যাপী একান্ত বৈঠক করেছেন। তখন তো অনেকে আশাবাদী হয়েছিলেন। তারপর কী হলো? দেখা গেল যে, কংগ্রেস সরকারের সাথে আওয়ামী সরকারের যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল, মোদি সরকারের সাথেও আওয়ামী লীগের ততখানিই ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। আরো একটি পয়েন্ট উল্লেখ না করলেই নয়। সুষমা স্বরাজ এই কিছুদিন আগে গুরুত্বর কিডনি রোগ থেকে মুক্ত হয়েছেন। হাসপাতালে বহুদিন ছিলেন। অনবরত কিডনির ডায়ালাইসিস করতে হয়েছে। তাতেও সুস্থ না হওয়ায় তার কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়েছে। সেই কিডনি দান করেছেন ৪০ বছরের এক ভারতীয় নারী। ৬ ঘণ্টা ধরে তার অপারেশন হয়। অপারেশন সফল। তারপর থেকে তিনি সুস্থ আছেন।
এত সব কথা বলার পরেও একটি কথা বলা যায় যে, কংগ্রেস সরকার যেমন অন্ধভাবে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছে, বিজেপি ঠিক সেভাবে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেনি। ২০১৪ সালে যখন ৪২টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে বিএনপি এবং জামায়াতসহ ৩০ দলই নির্বাচন বর্জন করে তখন আওয়ামী লীগের নির্বাচনকে জায়েজ করার জন্য কংগ্রেস সরকার পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিংকে ঢাকায় পাঠায়। ঢাকায় এসে সুজাতা সিং এইচ এম এরশাদের সাথে বৈঠক করেন এবং তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রচন্ড চাপ দেন। ফলে দেখা যায়, যে এরশাদ মনোণয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন সেই এরশাদ এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। এখন ধারণা করা হচ্ছে যে, আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে কংগ্রেস বা সুজাতা সিংয়ের মত ভূমিকা বিজেপি সরকার তথা নরেন্দ্র মোদি গ্রহণ করবেন না। তাই যখন বলা হয়, মোদি সরকার চায় যে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে অংশগ্রহণমূলক হোক তখন তারা কথার কথা বলেন না। তবে প্রশ্ন হলো, এই অংশগ্রহণমূলক এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তারা কতখানি চাপ দেবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
\তিন\
সুপ্রিয় পাঠক, ফিরে যাচ্ছি গত সপ্তাহের কলামে প্রদত্ত ওয়াদার কথায়। এখানে ইতোমধ্যেই একটি আনন্দদায়ক ঘটনা ঘটেছে। আমরা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর যে বক্তব্যটি নিয়ে সমালোচনা করেছিলাম, আমাদের সেই সমালোচনাটি সঠিক বলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। খান আতার চরিত্র হনন করে যে বক্তব্য রেখেছেন বাচ্চু, সেই বাচ্চুর তরফ থেকে সেই বক্তব্য দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা শাহরিয়ার কবির। গত ২৫ অক্টোবর বুধবার এক বিবৃতিতে শাহরিয়ার কবির বলেন, খান আতাকে রাজাকার বলা কোনোভাবেই ঠিক হবে না। ঐ বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশে ছিলেন তাদের অনেকেই বাধ্য হয়ে একটি কাগজে সই করেছিলেন। অনেক শিল্পীর নাম আছে যারা প্রাণের ভয়ে বাধ্য হয়ে সই করেছেন। তাদেরকে বা তাদের অন্যতম খান আতাকে রাজাকার বলা বা স্বাধীনতাবিরোধী বলা কোনোভাবেই ঠিক হবে না। স্বাধীনতার পরে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশে এই শিল্পীদের অনেক অবদান রয়েছে যা আমরা অস্বীকার করতে পারি না। খান আতা অভিনীত ‘নবাব সিরাজ উদ্দৌলা’ ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিগুলো আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছে। মুক্তির সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছে। এসব ছবিতে খান আতার অবদান তো অস্বীকার করা যাবে না। খান আতা কেন? ওখানে অন্য শিল্পীদের কথাও আছে, ওখানে তো সরকার ফজলুল করিমেরও নাম আছে। তাকে কি তাহলে রাজাকার বলবো? তালিকাটিতে শহীদ মুনির চৌধুরির নামও আছে। তারা জীবন বাঁচাতে সই করেছিলেন। যেহেতু তারা ভারতে যেতে পারেননি, বাধ্য হয়েছিলেন সই করতে। খান আতা একটা কথা বলেছিলেন, আমাদের বইটি বের হবার পরে যে, ‘আমি সই না করলে তো আমার অবস্থা আলতাফ মাহমুদের মত হতো।’ উল্লেখ করা যেতে পারে যে, মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাক বাহিনী আলতাফ মাহমুদকে হত্যা করে। যারা এদেশে ছিলেন তারাই তো মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছে। তাদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছে। তাদের আর্থিক সহায়তা করেছে। নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু আমার বন্ধু। আমি তার হয়ে দুঃখ প্রকাশ করছি।
\চার\
সুপ্রিয় পাঠক, শাহরিয়ার কবির দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বিবৃতি দিয়েছেন সেজন্য মানুষের ক্রোধ এবং ক্ষোভ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। কিন্তু নাসির উদ্দিন বাচ্চু সামনে এলেন না কেন? আড়াল থেকে তিনি শাহরিয়ার কবিরকে ঠেলে দিলেন কেন? এই বাচ্চু নিজেকে কী ভাবেন? মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এবং বুদ্ধিজীবী হিসেবে তিনি কি ইংরেজী ‘সাপ্তাহিক হলিডের’ প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এনায়েতুল্লাহ খানের চেয়েও নিজেকে বড় ভাবেন? ভাবতেও পারেন। সেই এনায়েতুল্লাহ খান ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক হলিডে-তে স্বনামে একটি রাজনৈতিক ভাষ্য লেখেন। ভাষ্যটির শিরোনাম ছিল, Sixty-Five Million Collaborators. অর্থাৎ সাড়ে ছয় কোটি দালাল। সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে হলিডের জনপ্রিয়তা তখন তুঙ্গে। অধিকাংশ শিক্ষিত লোকের ঘরে তখন শোভা পাচ্ছিল সাপ্তাহিক হলিডে পত্রিকা। এনায়েতুল্লাহ খানের এই লেখাটি শুধুমাত্র বাংলাদেশেই নয়, ভারত এবং সোভিয়েট ইউনিয়নসহ সমগ্র পৃথিবীতে আলোড়ন তুলেছিল। তার ঐ রচনার অংশ বিশেষ ইংরেজিতে হুবহু তুলে দিচ্ছি এবং তারপর সেটির বাংলা অনুবাদ করে দিচ্ছি।
The TV and the radio are today faced with an acute famine of performing artistes consequent upon the summary banning of those who had appeared on the TV screen or lent their voices on the air during the nine months of terror and genocide in occupied Bangladesh. The embargo was reportedly imposed by some functionaries of the Ministry of Information who zealously branded them as collaborators of the occupation regime of Yahya. The excommunication of the defenseless artistes from the holy communion of patriots, and the incidence of high-handedness by some Swadhin Bangla Radio personnel over some respected artists like Abdul Ahad abd Abdul Latif have come as a rude shock to many. A similar attitude has also been displayed by our noveau-patriots in other spheres, where they merrily bludgeoned their helpless victims with their perverted judgement.
অনুবাদ: আজ টেলিভিশন এবং রেডিওতে শিল্পীদের দুর্ভিক্ষ চলছে। এর কারণ হলো, অধিকৃত বাংলাদেশে ৯ মাসের সন্ত্রাস এবং গণহত্যার সময় টেলিভিশনের পর্দায় যারা অভিনয় করেছিলেন অথবা যারা গান গেয়েছিলেন তাদেরকে ঢালাওভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তাদেরকে ইয়াহিয়া সরকারের দালাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই ‘পবিত্র দেশ প্রেমিকদের সংঘ’ থেকে এসব নিরাপত্তাহীন শিল্পীর নির্বাসন অনেকের কাছে একটি বিরাট আঘাত হিসেবে এসেছে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কতিপয় ব্যক্তির কর্তৃত্ববাদী আচরণ আবদুল আহাদ এবং আবদুল লতিফের মত প্রখ্যাত শিল্পীদের নিষিদ্ধ করেছে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই ধরনের আচরণ লক্ষ করা যায় এই সব হঠাৎ গজিয়ে ওঠা দেশপ্রেমিকদের, যেখানে তারা তাদের বিকৃত বিচার দ্বারা তাদের অসহায় শিকারদেরকে মুগুরপেটা করেন। (সাপ্তাহিক হলিডে, ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)।
সুপ্রিয় পাঠক ভাইয়েরা, এই বিষয়টি নিয়ে আরো অনেক কিছু লেখার আছে। কোন পটভূমিতে দালাল আইন এসেছিল, কোন পটভূমিতে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছিল এবং কোন পটভূমিতে দালাল আইন বাতিল করা হয়েছিল, সে সম্পর্কে লিখতে গেলে একাধিক কলামের প্রয়োজন পড়বে। এই লেখাকে সম্পূর্ণ করতে গেলে অন্যান্য দেশে স্বাধীনতা উত্তরকালে সরকার সমর্থকদেরকে কীভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল তারও দু’চারটি উদাহরণ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে। সময় এলে এবং প্রয়োজন হলে সে সম্পর্কে আলোচনা করবো।

Share Button