• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা-চট্টগ্রাম-রংপুর-রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন চট্টগ্রাম ও রংপুরে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন, সংঘর্ষে নিহত ৪ কোটা আন্দোলনকারীদের পেছনে বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধন রয়েছে: কাদের মহাখালীতে রেললাইন অবরোধকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ জনদুর্ভোগ, ধ্বংস বা রক্তপাত ঘটালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনি দায়িত্ব পালন করবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার বেইলি রোড অবরোধ করলো ভিকারুননিসার ছাত্রীরা বগুড়া আজিজুল হক কলেজে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৪ কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল ঢাকা রাজসিক আয়োজনে এমবাপ্পেকে বরণ করতে প্রস্তুত বার্নাব্যু ওমানের রাজধানী মাস্কাটে বন্দুক হামলায় নিহত ৪

জেএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি:বিজ্ঞান

আপডেটঃ : বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০১৭

মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন

 

সিনিয়র শিক্ষক

 

দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে. উচ্চ বিদ্যালয়

 

ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা।

 

 পরাগায়ন: ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে

 

পূর্ব প্রকাশের পর

 

ক. অভিস্রবণ কী?

 

উত্তর : অভিস্রবণ:  একই দ্রাবক বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক থাকলে যে ভৌত প্রক্রিয়ায় দ্রাবক কম ঘনত্বের দ্রবণের দিকে ব্যাপিত হয় তাকে অভিস্রবণ বা অসমোসিস বলে।

 

ক. অর্ধভেদ্য পর্দা কাকে বলে?

 

উত্তর :  যে পর্দা দিয়ে কেবল দ্রবণের দ্রাবক অণু (উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পানি) চলাচল করতে পারে কিন্তু দ্রাব অণু চলাচল করতে পারে না তাকে অর্ধভেদ্য পর্দা বলে। যেমন- কোষ পর্দা, ডিমের খোসার ভিতরের পর্দা, মাছের পটকার পর্দা ইত্যাদি।

 

খ. প্রস্বেদনকে কেন “ Necessary evil” বলা হয়?

 

উত্তর :  উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ দেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি ‘Necessary evil’.

 

ক. প্রস্বেদন কী?

 

উত্তর : প্রস্বেদন: উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি নির্গমন হওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বলে।

 

খ. উদ্ভিদের মূল কেটে ফেললে গাছ মরে যায় কেন?

 

উত্তর :  উদ্ভিদের মূলের শীর্ষভাগ থেকে মূলরোম বের হয়ে মাটির কণার মাঝে প্রবেশ করে। স্থলজ উদ্ভিদগুলোর মূলরোম মাটির সূক্ষ্নকণার ফাঁকে লেগে থাকা কৈশিক পানি নিজ দেহে টেনে নেয় এবং বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে। কিন্তু মূল কেটে ফেললে পানির অভাবে সব বিপাকীয় কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাই গাছ মরে যায়।

 

ক.  ব্যাপন কাকে বলে?

 

উত্তর :  যে ভৌত প্রক্রিয়ায় কোনো পদার্থের অণুগুলো অধিকতর ঘনত্বের স্থান হতে কম ঘনত্বের স্থানে বিস্তার লাভ করে তাকে ব্যাপন বলে।

 

খ. ইমবাইবিশন বলতে কী বোঝ?

 

উত্তর :  অধিকাংশ কলয়েডধর্মী পদার্থই প্রানিগ্রাহী। উদ্ভিদদেহে বিভিন্ন ধরনের কলয়েডধর্মী পদার্থ বিদ্যমান। যথা- স্টার্চ, সেলুলোজ, জিলেটিন ইত্যাদি। এসব পদার্থ তাদের কলয়েডধর্মী গুণের জন্যই পানি শোষণ করতে সক্ষম। কলয়েডধর্মী বিভিন্ন পদার্থ ( উদ্ভিদের ক্ষেত্রে কোষ প্রাচীর) যে প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের তরল পদার্থ ( উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পানি) শোষণ করে তাকে ইমবাইবিশন বলে।

 

ক. প্রজনন কাকে বলে?

 

উত্তর :  প্রজনন: যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বা জনন বলে।

 

খ. পরাগায়ন বলতে কী বোঝায়?

 

উত্তর :  পরাগায়ন: ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। পরাগায়নকে পরাগসংযোগও বলা হয়। পরাগায়ন ফল ও বীজ উত্পাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। পরাগরেণু স্থানান্তরের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে। যে বাহক পরাগরেণু বহন করে গর্ভমুণ্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ